Header Ads

Header ADS

ছোটদের মজার গল্প ভুতুড়ে গাছের ঘর

 ভুতুড়ে গাছের ঘর

ছোটদের মজার গল্প ভুতুড়ে গাছের ঘর


একটি ঘন বনের মধ্যে একটি রহস্যময় গাছের তৈরি ঘর দাঁড়িয়ে ছিল। এটিকে ভূতুড়ে বাড়ি বলা হতো এবং কেউ এর ধারে কাছে যেতে সাহস করত না। শিশুরা সেখানে যাতে না যায় সেজন্য ফিস ফিস করে তাদেরকে বিভিন্ন ভয়ের কথা বলা হতো। স্থানীয়রা এই গাছের তৈরি ঘরটিকে নিয়ে বিভিন্ন কল্প কথা বলে বনের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর করে তুলেছিল।


এক রৌদ্রোজ্জ্বল সকালে, সাহসী দুই ভাই, অংশু এবং প্রিয়াংশু ঘন বনের বুক চিরে ভয়ঙ্কর গাছের তৈরি ঘরের রহস্য উদঘাটন করার সিদ্ধান্ত নেয়। কৌতূহল এবং সংকল্প নিয়ে তারা ঘন বনের পথ অনুসরণ করতে করতে এক সময় তাদের সেই ভয়ঙ্কর গাছের তৈরি ঘরের কাছে চলে আসে এবং গাছের সাথে সুন্দর সিড়ি দেখতে পায়। যেটা দিয়ে গাছের ঘরে ঢোকা যায়। তারা ঘরের কাছে আসার সাথে সাথে মৃদু বাতাস বইতে শুরু করে যেন ফিসফিস করে কথা বলছে, গাছের পাতাগুলি বাতাসে শব্দ করতে থাকে।

ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে ওরা সিঁড়ি বেয়ে গাছের ঘরে ঢুকে এবং ভীষণভাবে অবাক হয়, তারা দেখতে পেল যে, সেই ঘরে মধ্যে অসংখ্য গল্পের বই, খেলনা এবং আরামদায়ক আসবাবপত্রে ভরা। যে মুহূর্তে তারা ভেতরে প্রবেশ করল, তাকগুলোর বইগুলো নাচতে শুরু করল, আর কয়েকটা বইয়ের পাতা পাখির মতো উড়ে গেল। ওরা দুজন ভীষণভাবে ভীত হলো। কিন্তু কৌতূহল এবং সংকল্প নিয়ে ওরা ভয়কে দুরে সরিয়ে ঘুরে ঘুরে সব দেখলো।

ওরা চলে যাবার সময় একটা মৃদু কণ্ঠে বলল, "স্বাগত, তরুণ অভিযাত্রী।" অংশু এবং প্রিয়াংশু কিছুটা চমকে উঠলেও একটি বন্ধুত্বপূর্ণ, স্বচ্ছ ব্যক্তিত্বের কন্ঠ শুনতে পান – তিনি ছিলেন মিস্টার থিও নামে একজন ভৌতিক গ্রন্থাগারিক।

মিস্টার থিও সাহসী দুই ভাইয়ের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেছিল, সে তাদের কাছে বলেছিলেন যে, তিনি যুগ যুগ ধরে গাছের তৈরি ঘরের মালিক। যাদের আচরণ সাহসী ও বন্ধূত্বপূর্ণ তাদের সাথে সে গল্প শেয়ার করতে ভালোবাসতেন। মিস্টার থিও তার নিকট সংরক্ষিত সমস্ত বইগুলি দেখালেন এবং ফিসফিস করে সংরক্ষিত বইগুলো থেকে গল্প শোনালেন। গাছের তৈরি ঘরটি তাদের দুই ভাইয়ের কাছে একটি কল্পনায় ঘেরা স্বপ্নের জায়গা হিসেবে প্রস্ফুটিত হয়েছিল। সেদিনের মতো দুই ভাই মিস্টার থিওর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ফিরে আসেন এবং মিস্টার থিও তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণে অনেক খুশি হন এবং পুনরায় তাদের লাইব্রেরী ও গাছের তৈরি ঘরে আসার আমন্ত্রণ জানান। অংশু ও প্রিয়াংশু সেদিনের মতো ফিরে আসেন এবং পরবর্তীতে তাদের বন্ধুদেরকে সাথে নিয়ে থিওর ঘরে আসেন। তারাও থিওর মুগ্ধকর গল্পগুলি অন্বেষণ করেছিল ও আনন্দ উপভোগ করেছিল। তারা আবিষ্কার করেছিল যে "ভুতুড়ে" গাছের তৈরি ঘরটি বিস্ময় এবং আনন্দের জায়গা। একসময় এলাকার সকলের কাছে ভীতিকর গল্পগুলি বন্ধুত্ব এবং সাহসিকতার গল্পে পরিণত হয়েছিল এবং তরুণদের হৃদয়ে ঘরটি একটি মনমুগ্ধকর আশ্রয়ে রূপান্তরিত হয়েছিল, যেখানে তারা সাহসী হয়ে ওঠে। তরুণদের মধ্যে আলোচিত প্রতিটি গল্পের সাথে তাদের হৃদয় প্রসারিত হয়। ভুতুড়ে গাছটি আর ভুতুড়ে ছিল না, তরুণদের হাসি এবং স্বপ্নে ভরা ছিল, যারা গাছটির জাদুকরী রহস্য উন্মোচন করেছিল।

কোন মন্তব্য নেই

নোটন নোটন পায়রাগুলি

  নোটন নোটন পায়রাগুলি রোকনুজ্জামান খান নোটন নোটন পায়রাগুলি। ঝোটন বেঁধেছে। ওপারেতে ছেলেমেয়ে। নাইতে নেমেছে। দুই ধারে দুই রুই কাতলা।...

Deejpilot থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.